প্রথম দিনের ঘটনার পরে মাসির সাথে কথা বলা অনেক বেশি বেড়ে যায় আমার , ফোনে ঘন ঘন কথাবার্তা, চ্যাটিং, ভিডিও কল চলতেই থাকে , মাসির বাড়ি থেকে চলে আসার পর মনে হতো কিছু একটা মিসিং।
মাসির সাথে তারপর থেকেই খোলা মেলা কথা হতো , যখন তখন ফোন করা হতো , চ্যাটে জিজ্ঞেস করতাম “ কি পরেছ তুমি এখন “ , মাসি কখনো উত্তর দিতো শাড়ি কখনো উত্তর দিতো কুর্তি, লেগ্গিংস। আমি একদিন বলি তবে তোমাকে লাল শাড়িতে যা লাগে না , উফফফফ আমি আর সহ্য করতে পারিনা , মনে হয় গিয়ে জড়িয়ে ধরি , মাসি বলে “ তাই ? এত্ত সাহস আছে তোমার ? “
আমি বলি “ খুব আছে। “ মাসি বলে “ দেখবো দেখবো , সময় আসুক। দেখা যাবে কত পারো ধরতে। “ আমি বলি “ হ্যা দেখবে।”
তখন আবার তুমিই বলবে “ লজ্জা করছে ছাড় “।
মাসি বললো “ লজ্জা তো তুই পাচ্ছিলি সেদিন। “
আমি বললাম “ তুমি লজ্জা ভাঙিয়ে দাওনি কেন ?”
মাসি বললো ঠিক আছে এবার সব ভাঙিয়ে দেব সোনা। “
একদিন মাসি বললো তোর জন্য একটা জিনিস কিনেছি, মিশো তে এসেছে , আমি বললাম কি গো ? মাসি বললো এসে দেখে যা , আমি বললাম ছবি দাওনা। মাসি বললো আচ্ছা দাঁড়া। ছবি পাঠালো দেখি “ দুটো উইগ কিনেছে, একটা হাইলাইট করা blonde hair , অন্যটা bob cut।
আমি বললাম কি করেছো ? মাসি বললো পছন্দ হয়নি ? আমি বললাম খুব পছন্দ হয়েছে।
মাসি বললো তো কবে আসা হবে ? আমি বললাম দেখছি , মাসি বললো হ্যা তুই দেখতেই থাক , আমার ভালো লাগছে না , আমার তোকে চটকাতে ইচ্ছা করছে সোনা , আমি বললাম একটা কথা জানো , তোমার সাথে না দিন দিন যা দুষ্টুমি করছি , মনে হচ্ছে তুমি আমার বৌ। মাসি বললো বৌ করিসনা আমাকে , সামলাতে পারবিনা। আমি বললাম খুব পারবো , দুবেলা আদর , ভালোবাসা দেব , মাসি বলে খুব শখ বুঝতে পারছি। আমি বললাম হ্যাঁ।
পরেরদিন সকালে উঠে দেখি মাসি একটা ম্যাসেজ করেছে হোয়াটস্যাপ এ , দেখি একটা গোল্ডেন রঙের শাড়ির ছবি পাঠিয়েছে, নিচে একটা ছোট্ট ম্যাসেজ “ তোকে এতে সেই লাগবে “ সাথে দুটো গোলাপের ইমোজি। আমি লিখলাম “ তুমি পরিয়ে দেবে ? আমি তো পরতে পারি না। “
সাথে সাথে ম্যাসেজের উত্তর পেলাম, লিখেছে “ চলে এসো সোনাই “।
আমি বললাম এখন হবেনা গো , খুব চাপে আছি। দেখি মাসি কোনো রিপ্লাই দিলো না। ফোন করলাম , দেখলাম ধরলো না। ভাবলাম রাগ করেছে হয়তো। ভাবলাম কাল একবার গিয়ে দেখা করে surprise দেব। কিন্তু সেটা আর হলো না। সেদিন দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়েছিলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি মাসি এসেছে আমাদের বাড়িতে, মার্ সাথে গল্প করছে , আমি ঘুম থেকে উঠে যেতেই আমাকে মা বললো “মাসির একটু দিদির বাড়ি যাবার আছে, যখন থেকে বেড়াতে যেতে হবে, তুই যা সাথে “। আমি বললাম আমার তো কাজ আছে একটু, মাসি ওমনি আমার দিকে তাকিয়ে কপট রাগ দেখালো , চোখের ইশারায়। আমি বুঝে গেলাম মাসির খুব আদর খেতে ইচ্ছা করছে। মাসির সাথে বেরিয়ে গেলাম মাকে বলে, দেখি মাসি কোনো কথা বলছেনা, বাসে উঠে বসার জায়গা পেয়ে মাসিকে বসালাম। মাসির বাড়ির স্টপেজে নেমে মাসির সাথে যেতে যেতে বললাম “ সরি ডার্লিং, আর করবোনা “ , দেখি আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললো “ মেসোর সাথে কথা হয়েছে, বেড়াতে যাচ্ছি আমরা, মেসো টাকা পাঠিয়েছে , বলেছে ভালোভাবে ঘুরে এসো, ১০ — ১২ দিন ঘুরতে চাই , তুই আর আমি এখন যাবো পন্ডিচেরী , আমার কোনোদিন যাওয়া হয়নি। মাসির বাড়িতে এসে ঢুকতেই , মাসি মেন্ দরজা বন্ধ করে আমাকে নিয়ে বেডরুমে এসেই বিছানায় ফেলে দিয়ে আমার উপর উঠে আমার হাতদুটো মাথার দুপাশে ছড়িয়ে শক্ত করে ধরে আমার ঠোঁটদুটো মুখে নিয়ে উমমম উমমম করে চুষতে লাগলো , আমি অবাক হলাম , মাসি এত্ত গরম হয়ে আছে , প্রায় পনেরো মিনিট এভাবে smooch করার পর আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললো “ অনেক কষ্ট দিয়েছিস , বদলা নিয়ে নিলাম “। বলে উঠতে যাবে এমন সময় আমি মাসিকে জড়িয়ে ধরে বিছানায় ফেলে দিয়ে শাড়ির আঁচলটা সরিয়ে দিয়েই মাসির দিকে তাকিয়ে বললাম “ আমার খুব ইচ্ছা করছে তোমার ওপর বদলা নিতে “। মাসি লজ্জায় লাল হয়ে বললো “ ছাড় আমাকে, লজ্জা করছে আমার “। আমি বললাম দেখেছো আমি বলেছিলাম কিন্তু তুমি লজ্জা পাবে, আজকে আর ছাড়বো না। মাসি বললো লক্ষীছেলে , ওরম করতে নেই। আমি বললাম তাহলে এসো একটু জড়িয়ে ধরি , মাসি হাত বাড়িয়ে ডাকলো, আমি কাছে যেতেই মাসির বুকের ছোঁয়া পেলাম। দুষ্টুমি করে বললাম , একটা কথা বলবো মাসি কিছু মনে করবেনা তো ? মাসি বললো “ না বলো “, আমি বললাম আমাকে সাজালে আমারো কিন্তু তোমার মতো এরকম সুন্দর দুটো দুদু চাই, বলে আলতো করে মাসির দুদুতে হাত দিলাম , মাসি শিহরিত হলো , আমাকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরে কানে কানে বললো “ যা চাইবি , সব দেব “ , আমাকে আদর দিয়ে ভরিয়ে দে প্লিজ, আমি বললাম “ আমি সব জানি, চিন্তা করোনা “। আমি বললাম আচ্ছা একটা কথা বলো, আমি যদি সেজে তোমাকে আদর করি, তুমি কি অপছন্দ করবে ?মাসি হেসে খুব কামুকি স্বরে বললো “ লেসবিয়ান করতে চাও তুমি আমার সাথে ?” আমি বললাম “ আপত্তি হবে ? “ মাসি বললো “ তুমি যেটা চাইবে সেটাই হবে “। আমি বললাম তাহলে শপিং করতে যেতে হবে তো । মাসি বললো কাল সকালে যাবো, আজকে তোমাকে এভাবে চাই কাছে কাছে। মাসি যখন রাত্রে রান্নাঘরে গিয়ে রান্না করছিলো , তখন আমি মাসির ওয়ার্ডরোব থেকে মাসির কয়েকটা শাড়ি ও ব্লাউজ দেখছিলাম। মাসি রান্না শেষ করে এসে আমাকে বললো “কি খুঁজছো শুনি ? “ আমি বললাম কিছু না। মাসি বললো আমার দিকে তাকিয়ে কামুকি স্বরে , “ মাসির ব্রা খুঁজছো , তাই না ? “ আমি বললাম না কিছু, লজ্জা পেলাম। মাসি আমাকে কাছে টেনে বললো “ পাবি কিকরে, আমি তো পরে আছি “, দেখতে হলে দেখ, বলেই শাড়ির আঁচল ফেলে দিলো , আমি মাসিকে বললাম কি হচ্ছে শুনি ? মাসি আমার দুটো ধরে নিজের স্তনে ছুঁইয়ে বললো “ আগে দেখো নিজে হাতে ,তোমার মাসিকে কেমন লাগছে, তারপর বাকি কথা।” আমি শিহরিত হলাম এই প্রথম কোনো মেয়ের বুকে হাত দিলাম , মাসিকে জড়িয়ে ধরে বললাম “ তোমাকে খুব ভালোবাসি।”
মাসি কানে কানে বললো “খাবার সময় হয়ে গেছে, সকালে উঠতে হবে চলো।” আমি বললাম “ হু “
মাসি বললো সকালে শপিং করতে যাবো, তোমার পছন্দ মতো সবকিছু কিনবে। আমি বললাম “সবকিছু মানে ?”
মাসি বললো দুষ্টুমি করে “ মাসির মতো সুন্দরী মাইয়া হতে চাইলে তো সবকিছু কিনতে হবে “।
আমি বললাম হ্যাঁ, কিন্তু … মাসি বললো “ আবার কি হলো শুনি ?” আমি বললাম কানে ফুটো নেই যে , দুল পরবো কিকরে ? মাসি খিলখিল করে হেসে উঠে বললো “ সব হয়ে যাবে, কোনো চিন্তা নেই, আমি নিজেহাতে তোমাকে সাজাবো , তুমি চুপ করে বসে সাজবে “। আমি বললাম “নুপুর পরাবে ? “ মাসি আমার ঠোঁটে একটা চকাস করে চুমু খেয়ে বললো “ সেতো পড়তেই হবে তোমায়, না পরলে জোর করে পরাবো “। আমি বললাম “ তুমি সাজতে সাজতে সাজাবে আমাকে , আমি দেখবো কিভাবে সাজো তুমি “। মাসি বললো “ ভীষণ দুষ্টু তুমি “। তাই হবে , এবার ডিনার করি এসো। ডিনার করে মাসির পাশে শুয়ে গল্প করতে লাগলাম, কবে যাবো, কোথায় থাকবো , মাসি বললো সব রেডি, কাল বিকালেই ট্রেন আছে হাওড়া থেকে , আসলে সকালে শপিং করে এসে স্নান করেই বেরোবো, এখন ঘুমাও। তারপর আমি মাসিকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লাম, হ্যাঁ বলা হয়নি , মাসি রাত্রে নাইটি পরে ঘুমিয়েছিলো সেদিন। আমি রাত্রে উঠে দেখি মাসি আমার বুকের ওপর মাথা দিয়ে শুয়ে ঘুমোচ্ছে , আমি মাসিকে বুকে জড়িয়ে ঘুমের দেশে চললাম ।